গল্প–১: খাট
মুনা ঘুমাতে ভয় পায়।
কারণ তার মনে হয়—
খাটের নিচে কেউ থাকে।
মা হাসে, বলে—
“ভূত-টূত কিছু নেই।”
এক রাতে মুনা কম্বল নামিয়ে ফাঁক দিয়ে তাকাল।
খাটের নিচে দুটো চোখ।
একদম মানুষের মতো।
মুনা ফিসফিস করে বলল,
“কে ওখানে?”
খাটের নিচ থেকে উত্তর—
“তুমি ঘুমাও।”
মুনা চিৎকার করতে পারল না।
গলা দিয়ে শব্দ বেরোল না।
তারপর সে অনুভব করল—
খাটটা আস্তে আস্তে নড়ছে।
পরদিন সকালে মা দেখল—
মুনা খাটের নিচে ঘুমাচ্ছে।
আর খাটের ওপর—
কম্বল দিয়ে ঢাকা কেউ একজন।
👻 গল্প–২: রাত্রির ট্রেন
রাতে এক একা ট্রেনে যাচ্ছিল রাজ।
ট্রেন প্রায় খালি, শুধু কয়েকজন যাত্রী।
বাইরে ঝরঝরে অন্ধকার, হালকা কুয়াশা।
হঠাৎ, এক চেম্বার থেকে ঘরঘর শব্দ—
রাজের মাথার চুল দাঁড়িয়ে গেল।
শব্দ আসে, কিন্তু কেউ নেই।
দূরে খেয়াল করে দেখা গেলো একটা অদৃশ্য ছায়া, টিকিট কনফার্মেশন লাইটের টিমটিমে আলোয় তার আশপাশ হুটহাট স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
ভয়ে রাজের মুখ ঠান্ডা হয়ে গেলো।
তখনই ট্রেনের লাইট হঠাৎ বন্ধ।
শুধু ভয় আর অন্ধকার।
রাজ চিৎকার করল—কেউ উত্তর দিল না।
কিছুতেই ট্রেন থামল না।
ছায়া ক্রমশ কাছে এলো—
শেষে রাজ বুঝল, ট্রেনের মধ্যে কেউ নেই—কিন্তু কেউ তাকে অনুসরণ করছে।
পরদিন সকালে ট্রেন স্টেশনে রাজ একা, সে ভয় কাটাতে ধরে নিয়েছে কেউ তার দিকে তাকায়নি।
কিন্তু সে জানত, রাতের অশুভ ছায়া এখনও তার সাথে আছে, চোখের কোণ দিয়ে সবসময় তার দিকে নজর রাখছে। শুধু রাত হবার অপেক্ষা।
🌘 ছোট্ট সোনামনিদের জন্য সতর্কবার্তা 😶
- রাতে একা যেও না
- অন্ধকারে ডাকলে সাড়া দিও না
- আর খাটের নিচে তাকানোর আগে…
ভেবে নিও, কেউ তাকিয়ে আছে কি না
বন্ধুরা খেয়াল করেছো?
তিনটি গল্পের জায়গায় মাত্র দু’টি গল্প। কী! মন খারাপ হলো?
আসলে আমাদের লেখক ছুটিতে চলে গিয়েছেন। তাই তোমার কাজ হলো বাকি গল্পটা লিখে আমাদের পাঠানো। আমাদের ইমেইল হলোঃ chotodershomoy@gmail.com এখানে পাঠিয়ে দাও আর অপেক্ষা করো। তোমার গল্প ছাপা হবে পরের অধ্যায়ে এবং সাথে পুরস্কার হিসেবে বই, টাকা, ঘড়ি, গিফটবক্স, পেন্সিল সহ আরো কতকি!
অপেক্ষায় রইলাম তোমার লেখার।