সম্রাটের নতুন পোশাক

  • মূল রচনা: হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসন
  • অনুবাদ: নাজিব ওয়াদুদ

অনেক-অনেক দিন আগে এক সম্রাট ছিলেন। তার ছিল নতুন পোশাকের প্রবল শখ। পোশাকের পেছনেই তিনি তার সকল অর্থ ব্যয় করতেন। সেনাবাহিনী নিয়ে তার কোনো মাথাব্যথা ছিল না। থিয়েটারে যাওয়া কিংবা দাবার ঘুঁটি নিয়ে বসার দিকেও তার কোনো আগ্রহ ছিল না। সব সময় নতুন পোশাক প্রদর্শনের সুযোগের অপেক্ষায় থাকতেন তিনি। প্রত্যেক ঘণ্টায় ঘণ্টায় পরার জন্য তার ছিল আলাদা আলাদা পোশাক। অন্যান্য সব রাজা বা সম্রাটের ক্ষেত্রে যেমন লোকেরা বলে, ‘তিনি দরবারে আছেন’, তেমনি তার সম্পর্কে বলা হয়, ‘তিনি আছেন পোশাকের আলমারিতে।’
বিশাল রাজধানী শহরে তার সময় কাটছিল আনন্দে, প্রত্যেকদিন তার দরবার লোক সমাগমে মুখর হয়ে থাকত। একদিন তার দরবারে দুজন লোক এলো, পরিচয় দিলো তাঁতি বলে। আসলে তারা ছিল জোচ্চর। তারা বলল তারা এমন পোশাক বুনতে জানে যার রং এবং নকশা হবে সবচেয়ে সুন্দর।
আর এই পোশাকের এমন চমৎকার বৈশিষ্ট্য থাকবে যে কেউ-কেউ তা দেখতে পাবে না— যেমন, এমন পদধারী ব্যক্তি যে ওই পদের অযোগ্য, বা যারা একেবারেই সাধারণ চরিত্রের মানুষ।
‘আরে এগুলো তো সত্যিই খুব চমৎকার পোশাক হবে!’ সম্রাট ভাবলেন। ‘আমার যদি এরকম একটা পোশাক থাকে তাহলে আমি আমার দরবারের অযোগ্য লোকগুলোকে খুঁজে বার করতে পারব, আর বুঝতে পারব কারা জ্ঞানী আর কারা মূর্খ! এটা আমার খুব তাড়াতাড়ি চাই!’
তিনি এই তাঁতি দুজনের জন্য বিশাল অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ করলেন এবং দ্রুত কাজ শুরু করার নির্দেশ দিলেন।
সুতরাং ছদ্মবেশী তাঁতিরা দুটো তাঁত স্থাপন করল, এবং খুব ব্যস্ততার সঙ্গে কাজ করার ভান করতে লাগল যদিও, বাস্তবে তারা আদৌ কিছু করছিল না। তারা সবচেয়ে সূক্ষ্ম রেশম এবং বিশুদ্ধ সোনার সুতা আনতে বলল। সেগুলোকে তাদের ঝোলায় পুরে রেখে তারা সারারাত ধরে খালি তাঁত নিয়ে কাজ করার ভান করতে থাকল।
‘আমার পোশাকটা নিয়ে তাঁতিরা কী করছে দেখতে পারলে ভালো হতো’, কিছুটা সময় অতিবাহিত হওয়ার পর মনে মনে ভাবলেন সম্রাট। তারপর যখন তার মনে পড়ল যে সাধারণ লোক বা তার দরবারের অযোগ্য কর্মকর্তারা এটা দেখতে পাবে না তখন তিনি হতবুদ্ধি হয়ে পড়লেন।
তার নিজের এই ঝুঁকি নেওয়া ঠিক হবে না, ভাবলেন তিনি। বরং অন্য কাউকে পাঠাতে হবে।
তিনি নিজে এ নিয়ে ঝামেলায় পড়ার আগে সে তাঁতিদের কাজ সম্পর্কে তাঁকে গোয়েন্দা তথ্য এনে দিবে।
পোশাকটির অভূতপূর্ব বৈশিষ্ট্যের কথা গোটা নগরবাসী জেনে গিয়েছে। তারা তাদের প্রতিবেশীদের মধ্যে কে জ্ঞানী আর কে মূর্খ বলে প্রমাণিত হবে সেটা জানার জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে অপেক্ষা করছে।
‘আমি আমার বিশ্বস্ত বৃদ্ধ মন্ত্রীকে তাঁতিদের কাছে পাঠাব’, কিছু চিন্তা-ভাবনার পর শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিলেন সম্রাট। ‘পোশাকটা দেখতে কেমন হচ্ছে সেটা পর্যবেক্ষণ করার জন্য তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি, কারণ তিনি একজন কাণ্ডজ্ঞান সম্পন্ন মানুষ, তাঁর দরবারে তার চেয়ে যোগ্য আর কেউ হতে পারে না।’
সুতরাং বিশ্বস্ত বৃদ্ধ মন্ত্রী সেই জায়গায় গেলেন যেখানে খালি তাঁত নিয়ে জোচ্চর দুজন তাদের সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করছিল। ‘এর মানে কী?’ চক্ষু বিস্ফারিত করে ভাবলেন বৃদ্ধ মানুষটি। ‘আমি যে তাঁতটায় সুতার একটা টুকরাও দেখতে পাচ্ছি না।’ তবে তিনি তার মনের কথা বাইরে প্রকাশ করলেন না।
বাটপাড়রা খুব বিনয়ের সঙ্গে তাকে তাঁতের কাছে আসতে অনুরোধ করল, এবং তাঁতের শূন্য ফ্রেমের দিকে ইশারা করে জিজ্ঞেস করল নকশাটা তার ভালো লাগছে কি না বা রংটা খুব সুন্দর কি না। হতভাগা বৃদ্ধ মন্ত্রী তাকিয়েই থাকলেন, তাঁতের ওপর কিছুই দেখতে পাচ্ছেন না তিনি। সেটা খুবই স্বাভাবিক, কারণ তার ওপর আসলেই কিছু নেই। ‘আশ্চর্য!’ আবার ভাবলেন তিনি। ‘এটা কী করে সম্ভব হয় যে আমি একজন সাধারণ মানুষ? আমি নিজেকে কখনও এ রকম ভাবিনি, এখন আমি যে এ রকম সেটা কোনোমতেই কাউকে জানতে দেওয়া যাবে না। এটা কি হতে পারে যে আমি আমার পদের অযোগ্য? না, সেটা বলা যাবে না। বরং আমি কখনই স্বীকার করব না যে আমি জিনিসটা দেখতে পাইনি।’
‘বেশ, মন্ত্রী মহাশয়!’ একজন প্রতারক বলল কাজ করার ভান করতে করতে। ‘আপনি কিন্তু বলছেন না জিনিসটা আপনার ভালো লাগছে কি না।’
‘ওহ, এটা সত্যিই চমৎকার!’ চশমার ভেতর দিয়ে তাঁতের দিকে তাকিয়ে বললেন বৃদ্ধ মন্ত্রী।
‘এর প্যাটার্ন এবং রংটাও। হ্যাঁ, আমি এখনি গিয়ে সম্রাটকে বলব কী সুন্দরই না লেগেছে আমার।’
‘আমরা আপনার প্রতি খুব কৃতজ্ঞ থাকব,’ প্রতারকরা বলল। তারপর তারা কল্পিত পোশাকটার বিভিন্ন রঙের নাম এবং প্যাটার্ন বর্ণনা করতে লাগল। বৃদ্ধ মন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে তাদের কথা শুনতে লাগলেন যেন তিনি গিয়ে সম্রাটকে সেগুলো শোনাতে পারেন।
তারপর দুর্বৃত্তরা আরো রেশম এবং সোনা চাইল, বলল যে তাদের কাজ শেষ করার জন্য এগুলো প্রয়োজন। অবশ্য তাদেরকে যা দেওয়া হলো সেগুলোকে তারা তাদের ঝোলায় ভরে রাখল এবং আপাতদৃষ্টিতে আগের চেয়ে অধিকতর অধ্যবসায়ের সঙ্গে খালি তাঁতে কাজ করতে থাকল।
এবার, পোশাকটা দ্রুত শেষ হবে কি না জানার জন্য সম্রাট তার দরবারের আরেকজন কর্মকর্তাকে তাঁতিদের কাজ দেখতে পাঠালেন। এবারও তাই ঘটল যা ঘটেছিল মন্ত্রীর বেলায়।
তিনি তাঁতের চারদিক ঘুরে ঘুরে পর্যবেক্ষণ করলেন কিন্তু খালি ফ্রেম ছাড়া আর কিছু দেখতে পেলেন না।
‘মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের যেমনটা ভালো লেগেছিল আপনার কাছে কি তেমনটা ভালো বোধ হচ্ছে না?’ ঠগরা সম্রাটের দ্বিতীয় প্রতিনিধিকে জিজ্ঞেস করল। আর আগের মতোই অঙ্গভঙ্গি করে নকশা এবং রং সম্পর্কে বর্ণনা দিয়ে চলল যা বাস্তবে সেখানে নেই।
‘আমি অবশ্যই মূর্খ নই!’ ভাবল প্রতিনিধি লোকটা। ‘নিশ্চয়ই আমি আমার চমৎকার লাভজনক পদের যোগ্য নই! বিষয়টা খুব বিব্রতকর। তবে এ ব্যাপারটা কাউকে জানতে দেওয়া যাবে না।’ যথারীতি তিনি অদৃশ্য পোশাকটার গুণকীর্তন করতে লাগলেন, এবং জানালেন যে রং এবং নকশা দুটোই তার ভালো লেগেছে।
‘সত্যি, আনন্দ করুন মহামান্য সম্রাট’, তিনি দরবারে ফিরে গিয়ে বললেন, ‘তাঁতিরা অসাধারণ সুন্দর একটা পোশাক বানাচ্ছে।’
সম্রাট যে নিজের খরচে একটা চমৎকার পোশাক বানাচ্ছেন তার কথা গোটা শহরময় চর্চা হতে লাগল।
এবার সম্রাট নিজে সেই মূল্যবান পণ্যটা দেখতে মনস্থ করলেন যেটা এখনও তাঁতের মধ্যেই রয়েছে। দরবারের একদল কর্মকর্তাকে বাছাই করে নিলেন, তাদের মধ্যে সেই সৎ লোক দুটোও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা ইতোমধ্যেই পোশাকটার প্রশংসা করেছেন। তারপর ধূর্ত প্রতারকদের কাছে গেলেন। তার উপস্থিতি টের পেয়ে তারা আগের চেয়েও অধ্যবসায়ের সঙ্গে কাজ করতে লাগল যদিও তাঁতের মধ্যে একটা সুতাও নেই।
‘কাজটা খুব সুন্দর না?’ সম্রাটের আগের দুই কর্মকর্তা বললেন। ‘মহামান্য যদি শুধু একবার নজর দিয়ে দেখেন! কী অসাধারণ নকশা! কী উজ্জ্বল রং!’ শূন্য তাঁতের দিকে ইশারা করে বলতে থাকলেন তারা, তাদের বিশ্বাস প্রত্যেকেই এই অসাধারণ কারুকার্য দেখতে পাচ্ছে।
‘এটা কী করে হতে পারে?’ মনে মনে বললেন সম্রাট। ‘আমি যে কিছুই দেখতে পাচ্ছি না! সাংঘাতিক কাজ তো এটা! তার মানে আমি একজন সাধারণ মানুষ? নাকি সম্রাট হওয়ার অযোগ্য? সেটা হলে তো খুব খারাপ ব্যাপার হবে… ওহ! পোশাকটা সত্যিই খুব সুন্দর!’
তিনি এবার উচ্চৈঃস্বরে বললেন। ‘এটাকে আমি পুরোপুরি অনুমোদন করছি।’ তিনি আনন্দচিত্তে হাসলেন এবং খালি তাঁতের দিকে গভীর দৃষ্টিতে তাকালেন। কারণ তাঁর দরবারের দুজন কর্মকর্তা যার প্রশংসা করেছেন সেটা তিনি দেখতে পাচ্ছেন না একথা কোনোক্রমেই বলা যাবে না। তাঁর সকল অনুচর তীক্ষ্মদৃষ্টিতে তাঁতের মধ্যে কিছু আবিষ্কার করার চেষ্টা করলেন কিন্তু অন্য সবার মতোই তারা কেউ কিছু দেখতে পেলেন না। তবুও তারা বিস্ময় প্রকাশ করে বললেন, ‘ওহ, কী সুন্দর!’ তারা আসন্ন শোভাযাত্রার জন্য এই চমৎকার উপাদান দিয়ে আরো কিছু পোশাক বানিয়ে নেওয়ার জন্য সম্রাটকে পরামর্শ দিলেন।
‘মহান! সুন্দর! চমৎকার!’ চারদিক থেকে শোর উঠল। সম্রাট সর্বসাধারণের সন্তুষ্টিতে অংশগ্রহণ করলেন এবং প্রতারকদের বোতামে পরার জন্য নাইটহুড ফিতা উপহারসহ ‘ভদ্রলোক তাঁতি’ খেতাব দিলেন।
জোচ্চর দুজন শোভাযাত্রার আগের দিন সারা রাত ষোলোটা আলো জ্বালিয়ে রাখল যেন লোকেরা দেখতে পায় সম্রাটের নতুন পোশাক তৈরির কাজ শেষ করার জন্য তারা কতটা উদ্গ্রীব। তারা তাঁতের ওপর কাপড় গোটানোর ভান করল, কাঁচি দিয়ে বাতাস কাটল এবং কোনো সুতা ছাড়াই সুঁচ দিয়ে সেলাই করল।
‘দেখুন!’ তারা শেষ পর্যন্ত চেঁচিয়ে উঠল। ‘সম্রাটের নতুন পোশাক প্রস্তুত!’
সম্রাট তার পারিষদবর্গকে নিয়ে তঁতিদের কাছে গেলেন। বাটপাড় দুজন হাত ওপরে তুলল, যেন কিছু ধরে ওপরে তুলছে। বলল, ‘এই যে এটা হলো মহামান্যের পায়জামা! এটা মাথার চাদর! আর এটা হলো আংরাখা! পুরো পোশাকটা মাকড়সার জালের মতো হালকা, এটা পরলে কারো মনে হতে পারে যে পরনে কিছুই নেই। এটাই এই সূক্ষ্ম কাপড়ের মহান গুণ।’
‘হ্যাঁ, সত্যি!’ পারিষদরা বললেন, যদিও তাদের কেউই এই দারুণ পণ্যটার কিছুই দেখতে পাচ্ছেন না।
‘মহান সম্রাট যদি দয়া করে তার পরনের পোশাক খুলে ফেলেন তাহলে আমরা তাঁকে এই নতুন পোশাকটি পরিয়ে দিতে পারি। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তিনি সেটা দেখতে পারবেন।’
সেই মতো কাপড় খুললেন সম্রাট, আর জোচ্চররা তাঁকে কাপড় পরিয়ে দেওয়ার ভান করতে লাগল।
সম্রাট আয়নার সামনে এপাশ-ওপাশ করে ঘুরে ঘুরে দেখতে থাকলেন।
‘নতুন পোশাকে মহামান্যকে কী সুন্দরই না দেখাচ্ছে! আর কী চমৎকারই না মানিয়েছে তাকে!’ সবাই চেঁচিয়ে বলতে লাগল। ‘কী নকশা! কী রং! একেই বলে সত্যিকার রাজকীয় পোশাক!’
উৎসবের প্রধান কর্তা ঘোষণা করলেন, ‘মহারাজের জন্য শোভাযাত্রার শামিয়ানা অপেক্ষা করছে।’
‘আমিও প্রস্তুত’, সম্রাট উত্তর দিলেন। ‘আমার নতুন পোশাক আমায় ভালো মানিয়েছে তো?’ জিজ্ঞেস করলেন তিনি। আয়নার সামনে আবার ঘুরে ঘুরে দেখলেন, যেন তিনি তার চমৎকার পোশাকের পরীক্ষা দিতে চলেছেন। শয়নকক্ষের পরিচারকরা, মহামান্যের পোশাকের ঝুলুনির গোছা বহন করা যাদের দায়িত্ব, তারা এমন ভাব করল যেন মাটি থেকে আংরাখার প্রান্ত তুলে ধরছে, তারা কিছু একটা বহন করার ভান করল। কারণ তারা কোনোক্রমেই সাধারণত্ব বা পদের অযোগ্যতার দায় নিতে চায় না।
সুতরাং তিনি তাঁর রাজধানীর মহাসড়কে শোভাযাত্রার মাঝে উঁচু শামিয়ানার নিচে হাঁটতে লাগলেন। রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আর জানালা দিয়ে উঁকি মারা লোকেরা চেঁচাতে লাগল, ‘ওহ! সম্রাটের পোশাকগুলো কী সুন্দর! আংরাখার ঝুলুনিগুলো কী চমৎকার!
আর কী অভিনবভাবে ঝুলছে তার মাথার চাদর!’ সংক্ষেপে বললে বলতে হয়, এই অতি-প্রশংসিত পোশাক দেখতে পাচ্ছে না এমন অপবাদ কেউ নিতে চায় না। কারণ, সেটা করলে নিজেই নিজেকে সাধারণ বা তার পদের অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হবে। অবশ্যই, এই অদৃশ্য পোশাকের মতো সম্রাটের অন্য পোশাকগুলো এর আগে কখনও এত বড় প্রভাব তৈরি করতে পারেনি।
‘কিন্তু সম্রাটের পরনে যে কিছুই নেই!’ একজন শিশু বলে উঠল।
‘এই নিষ্পাপ শিশুটির কথা শুনুন আপনারা!’ তার পিতা বিস্ময়ে চিৎকার করে উঠল।
শিশুটির কথা ফিসফিস করে এক কান থেকে আরেক কানে ছড়িয়ে পড়ল।
‘কিন্তু সম্রাটের পরনে যে আদৌ কিচ্ছু নেই!’ অবশেষে সকল মানুষ চেঁচিয়ে বলতে লাগল।
সম্রাট বিরক্ত হলেন, কারণ তিনি জানেন যে জনতার কথাই ঠিক। তবু তিনি ভাবলেন শোভাযাত্রা অবশ্যই চালিয়ে যেতে হবে! সুতরাং শয়নকক্ষের পরিচারকদের আগের চেয়ে অনেক বেশি কষ্ট ভোগ করতে হলো, কারণ তাদের এমন একটা ঝুলুনি বহন করার অভিনয় করতে হচ্ছে বাস্তবে যার কোনো অস্তিত্বই নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *